Skip to main content

আবৃত্তি // নিয়ম ভাঙ্গা যায়? ফজলে রাব্বি

এটা বানানোর দৃশ্য কি নিখুত


নিয়ম ভাঙ্গা যায়?

ফজলে রাব্বি


কদম্বরী, কি এমন ক্ষতি হতো?

যদি সব নিয়ম এর বেড়াজাল ভেঙে ,

যে যাকে চায় তাকে নিয়ে সুখে থাকতো । 

সুখের সামান্য অনুভূতির প্রভাবে,

দুঃখের এত বিস্তার কি অমানবিকতা নয়?


আবৃত্তি শুনুন


এতো এতো অপেক্ষার পর-

যেখানে সামান্য উপেক্ষা সহ্য করা কঠিন । 

সেখানে এতো এতো উপেক্ষা,অবহেলা আর অবজ্ঞার অবাধ বিচরণ।

যান্ত্রিক মানুষেরও একটা সময় পর দরকার -

অবিরাম ভালোবাসা প্রেম । 


আজ বিস্তর পথ, উচু পাহাড় , বিশাল সমুদ্রের মাজখানে পড়ে থাকা -

 আমি এক পরগাছা মাত্র!

আমার কি ভালোবাসার  প্রয়োজন হয় না স্বর্ণলতার মত?


এটা যখন সৌন্দর্য বৃদ্ধি করলো ততক্ষণই বাগানে শোভা পেলো। 

কিন্তু ইহা যখনই সুদর্শন সুবাস হারালো,

তোমার স্বার্থপরতা বৃদ্ধি পেল ।

উপরে ফেলে দিলে পরগাছা হওয়াতে কষ্টে বুকে কম্পন হলো না?

তোমার অপেক্ষা আমায় কেনো উপেক্ষা, অবজ্ঞা, অবহেলা কেই উপহার দিলো ?


এতো কিছুর পরও তোমায় আজও ভালোবাসায় দুঃসাহস জাগে ।

যদি নিয়মের বেড়াজাল ভেঙে তুমি আমার কাছে আসো।

আমায় একটু ভালোবাসো।

Comments

Popular posts from this blog

ধর্মবীণা___ অভিজিৎ ব্যানার্জী

  আবৃত্তি দেখতে ক্লিক করুন । ধর্মবীণা অভিজিৎ ব্যানার্জী ধর্মবীণার তারে,কে বাঁধিল সুর? কর্ণকুহারে শুনি ,অতি সুমধুর! তনু-মন নিধুবন, প্রভুর মায়ায়, বীণা-হাতে প্রভু যেন,বকুল ছায়ায়। সুরামৃতে ভাসিছে, সগড়াই-বাসী- গাজনের প্রাক্কালে,পলাশের হাসি। ব্রজের কানাই যেন,গোপিনীর সাথে, ধর্মের রূপ ধরি, বাঁশি লয়ে হাতে। মুদিত নয়নে হেরি, সেই রূপ-খানি, ভক্তজনের কাছে ,মাতা-সম দানি। সাতসুরে বাঁধা আছে,জীবনের গাড়ি, সুর-ঝংকারে পথ, দিতে হবে পাড়ি। সপ্ত-সাগরে ওঠে, সুরের লহর, পাশাপাশি বর্ণেরা, শব্দ-বহর। সুর-তাল-লয় সাথে,ছন্দ-দোলায়, পথিকের ক্লান্তিকে,নিমিষে ভোলায়। শুরু হোক পথচলা, সম্মুখপানে, আগামীর পথ হোক,সুমধুর গানে। ধর্ম-বীণায় এসো,সা-রে-গা-মা সাধি, পরানের প্রাঙ্গণে, প্রেম-ঘর বাঁধি।

ধারাবাহিক গল্প: বৃষ্টি বিলাসিনী ___আরোয়া জান্নাত নুহা

    বৃষ্টি বিলাসিনী ___আরোয়া জান্নাত নুহা পর্ব: ১ একরাশ অভিমান নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিল বৃষ্টি নামের এক কিশোরী। হঠাৎ আকাশ থেকে ভেসে আসা গুরুগম্ভীর ডাক বৃষ্টির কর্ণগোচর হতেই মূহুর্তের মধ্যেই থমকে দাঁড়ায় সে।এ গুরুগম্ভীর ডাক যেন বৃষ্টি আসার ই পূর্বাভাস। অতঃপর শুরু হলো বৃষ্টি। পড়ন্ত বিকেলের এই বৃষ্টি তে একটুখানি বৃষ্টি বিলাস‌ করলে নেহাৎ মন্দ হয় না। বৃষ্টি বিলাস করলে হয়তো বৃষ্টির হৃদয়ে জমে থাকা রাগ অভিমান হয়তো বা একটু হলেও কমবে। আজ মনের সব কষ্টগুলো ভাগাভাগি করবে । প্রায় আধঘন্টা মনের আনন্দে বৃষ্টি বিলাস করলো বৃষ্টি। বৃষ্টিতে ভিজার কারনে বৃষ্টির গাঁ থরথর করে কাঁপছে ।  সকাল -দুপুর না খেয়ে থাকার কারণে শরীরে একরত্তি শক্তি পাচ্ছিল না বৃষ্টি। কেমন যেনো চারপাশের সবকিছু ঝাপসা ঝাপসা দেখতে লাগলো সে। এরপরেও  মনে সাহস নিয়ে যেই এক পা বাড়ালো অমনি ধপাস করে পড়ে গেল ।  সবকিছু দেখছিলো একজোড়া চোখ।   বৃষ্টির চুল থেকে টপটপ করে পানি পড়ছিল। চোখের কাজল লেপ্টে গিয়েছে। সবমিলিয়ে বৃষ্টিকে দেখতে অসম্ভব মায়াবিনী লাগছিল। পলাশ মাহমুদ প্রথম দেখাতেই মায়াবিনীর মায়ায...

গল্পঃ #__কনে_বদল || তাসলিমা মুন্নী

  গল্পঃ #__কনে_বদল   তাসলিমা মুন্নী পর্ব : ০১ এই পাপ আমাকে করতে বলো না,তোমার পায়ে ধরি মা । আমি এটা করতে পারবো না। এটা অন্যায়, এটা পাপ!! --- একদম চুপ মেরে থাকবি শিখা। পাপ- পূণ্য আমাকে শেখাতে আসবি না।একটা শব্দও যেন না শুনি।শুনলে খুব খারাপ হবে।  দরজা আটকে চলে গেছে শিখার মা। একটু পরে শিখার ছোট বোন শশী দরজা খুলে ভেতরে ঢুকলো।  --- আপু.. --- শশী...বোন আমাকে বাঁচা।এতো বড় অন্যায় আমি করতে পারবো না।  শশীর চোখেও পানি এসে গেছে শিখার কাকুতি মিনতি দেখে। আজ শিখার বিয়ে। বিয়ে নিয়ে আর পাঁচ দশটা মানুষের মতো ভাবতে পারছেনা শিখা। ওর চোখে এখন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।শিখা জানে না কি হবে, তবে এটা জানে যা হবে, খুব খারাপ কিছু হবে।  যে ছেলেটার সাথে বিয়ে, তার নাম মাহির।সেও জানে না কি হতে যাচ্ছে। জানে শুধু শিখার বাড়ির কয়েকজন মানুষ।  কনে বদলে গেছে। বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত বা বাধ্য হয়ে করা হচ্ছে এমন নয়। এটা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পনা করে হচ্ছে। শিখা নিজেও জানতো না। বিয়ের আগের রাতে জানতে পেরেছে বিয়েটা শিখার!! বিয়েটা ভেঙে দিবে বা ছেলেকে, ছেলের বাড়ির কাউকে জানাবে এই সুযোগও নেই। শশী শিখাকে ধরে...