Skip to main content

কবিতা আবৃত্তি

আবৃত্তি 


চিঠি

 _____সোমা

আমাদের দেখা হবে না কোনোদিন। 

চাঁদের পিছন পিঠ থেকে খসে পড়বে একটুকরো ফুলডুংড়ি  পাহাড়। 

চিঠি চেয়েছিলাম মাত্র। 

নিজস্ব পঙক্তি, আলোর অনভ্যাস, নিচু মুখ

সংগতি নেই এমন কয়েকটি কথা–

যে শব্দ তোমাকে বলবে, –চলো

যে শব্দ বারান্দার নরম আলো দেখবে–

চোখের বিপরীতে চোখের আবর্তমন্ডল টানবে

সন্দেহ, পীড়া, শীতল কষ্ট–

প্রতিষ্ঠা পাবে না যে ঠিকানায় সেখানে

গাছ লাগাব একখানি। 

বনসাই–তারে বাঁধা স্ফীত বাড়

দুতিনটি শব্দ ছাড়া সব অতিরিক্ত

চিঠি – একমাত্র দাহ, ধ্বনি, 

ইন্দ্রিয়সমান–

###########

সোমা'র আরও কবিতা পড়ুন:

এবার ফাল্গুনে




Comments

Popular posts from this blog

হাসতে চাইলে পড়ুন : গল্পঃ বাল মানে চুল // রবিউল ইসলাম।।

বাল" মানে চুল _____ রবিউল ইসলাম  আমার বউ এতই বেশী হিন্দি সিরিয়াল দেখে যে, বাসর রাতেও স্টার প্লাস লাগিয়ে দিয়েছে। হিন্দি সিরিয়ালে আমার প্রবলেম নেই, কিন্তু প্রবলেম হলো হিন্দি বলাতে। সে সব কিছু বাংলাতে বললেও, শুধু একটা শব্দ হিন্দি বলে। সেটা হলো চুল'কে বাল বলে। ওইদিন আম্মাজান বউকে বলল," মা! চিরুনি'টা আনোতো!" বউ বলল," বালের জন্য নি আনবো,মা!" মা তো কথাটা শুনে মৃদু স্ট্রোক করলেন। শেষে কোনোরকম বুঝিয়ে  দমানো গেলো। ওইদিন, আমার বিয়ের পর প্রথম, আমার বউকে দেখতে অফিসের বস্ আসলো। এসে সোফায় বসে বলল , "দেখি শাওন! তোমার বউ'কে আসতে বলোতো। তোমার বউটা কেমন? আমার আবার কাজ আছে।" বউ, নাস্তার ট্রে এনে সালাম দিয়ে বলল," স্যার! কেমন আছেন? স্যার, আপনি তো অনেক স্মার্ট।  স্যার খুশি হয়ে বললেন," আলহামদুলিল্লাহ এবং ধন্যবাদ। তরী বলল: আপনার বাল থাকলে, আরো সুন্দর লাগত। লম্বা বাল, স্যার'দের কে মানায় ভালো। আমি তো শাওন'কে বালের জন্যই বিবাহ করিছি। না হলে কি করতাম?" স্যার,বুকে হাত দিয়ে রেখেছেন। মনে হয় হার্ট এটাক করেছেন। তিনি হার্ট এটাক করে, হাসপাতালে স্...

মনের তুষ্টি চাই দয়াময় -----------মোঃ হাবীবুর রহমান

  মনের তুষ্টি চাই দয়াময়  -----------মোঃ হাবীবুর রহমান  তোমার কাছে যা মনে চায় যখন তখন চাই, সবকিছুই পাই সেটা নয় অনেক কিছুই পাই। না পেলে তা চাই পুনরায় পাওয়ার পরেও চাই, তোমার কাছে চাইতে থাকি চাওয়ার বিরাম নাই। হে দয়াময় মহান দাতা দিয়েছো সব আমায়, ধন সম্পদ মান সম্মান কিছুই কমতি নাই। পূর্ণতাতে ও ঘাটতি খুঁজি মাত্রাতিরেক চাই, এতো পেয়েছি তবুও কেন তৃপ্তি আসে নাই! এই জীবনের শেষ প্রহরের আখেরি মোনাজাত, নিজেকে প্রমাণ করতে সুযোগ দাও হে কায়েনাত। বস্তুগত চাইনা কো আর মনোঃজাগতিক দান, করজোড়ে চাইছি খোদা দাও তা অফুরান ! মনে আমার পূর্ণতা দাও যে'টুকু পেয়েছি যা-ই, হোক দয়াময় তৃপ্তি-তুষ্টি জীবন-ব্যাপী স্থায়ী!!