Skip to main content

কবিতা আবৃত্তি // তোমায় মনে পড়ে

 
আবৃত্তি 

তোমায় মনে পড়ে। 

_____আবুল হোসেন সিরাজী। 


মা গো আজ তোমায় মনে পড়ে,

পরপারে চলে গেলে আমায় একা রেখে। 


আজ চারিদিকে দিকে শূন্যতা, 

মনের মাঝে একটুও শান্তি নেই। 


আজ শুধু তোমার জন্য মনটা ছট ফট করে, 

যে দিকে চোখ পড়ে শূন্যতা বিরাজ করছে। 


তোমার মত সুমধুর কন্ঠে 

কেউ আমাকে নাম ধরে  ডাকে না। 


মা গো তোমার হাতের রান্না খেতে খুব মজা ছিলো, 

এখন কোনো খাবার খেতে মন চাই না। 


আজ আমি বুঝতে পারিতেছি, 

মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়ার ভান্ডার,

মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার। 


মা গো তুমি আমাকে 

পারিবারিক শিক্ষা ধর্মীয় শিক্ষা দিয়েছ,

সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত করিয়াছ।


মা গো তোমার অবদানের কারণে, 

আমি সমাজের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি। 


মা গো তুমি আমার কাছে, 

পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা।


মা আমার মানিক রতন তুলনা নাই তাঁর, 

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দোয়া করতেন ছেলে টি তাঁর।

*********

_____আবুল হোসেন সিরাজী। 

আরও কবিতা :


মানবতা ধ্বংস 


মায়ার বাঁধন ছিন্ন হবে।

Comments

Popular posts from this blog

কে বলে সে ফিরবেনা ____জিনাত রেহানা মুন্নি

  কে বলে সে ফিরবেনা ____জিনাত রেহানা মুন্নি কে বলে সে ফিরবেনা সে হারিয়ে গেছে অজান্তে  কে ব'লে সে প্রেম পাগল পাগলামি এখন তুঙ্গে হৃদে  চরমে  উঠেছে রাজ্যের মন রাজা নয় সে ভিখারি ও নয় সে নাকি খুব অভিমানী  চোখে আকাশের রঙিন তাঁরা  স্বপ্ন ছেঁড়া হৃদপিণ্ড জুড়ে মন খেলছে একি খেলা ভবের হাঁটে  সে যৌবনের ধানসিঁড়ি মাড়িয়ে  দুলছে দখিনা বাতাসের ছোঁয়ায় চশমা োখে ফাগুনের টলমল জল    বইছে নিশাচরী মন ফাগুনে সে জানে কাঁদতে জানে ছুঁতে  ইচ্ছে ডানায় উড়ে বেড়াতে  সে একাকিত্বের পদ্ম ঝিল সাদা বকের একরোখা মন উড়বে নীলে চিন্তা রোপণে উঠে দাঁড়াবে কোটি মানুষের ভিড়ে  কাশ নয়তো ফাগুন ছুঁই ছুঁই মন ভাষার কারুকাজে বিচিত্র রুপ রুপোলী চাঁদ তারাটা ছড়া কথা কথার ঝুলি কাঁধে মধ্য রাতে ছড়ানো সেই নিঝুম শব্দের গাঁথুনি মজবুত করে মন সেজেছে  শহর জুড়ে আজ ফাগুনের গান চলো বদলে দেই অযাচিত ভাবনা  গুছিয়ে দেই যৌবনের ফাগুন ফুটবে ফাগুনের আলোড়নে.....!!

স্মৃতির মোহনা _____মোঃ এহসান সরকার বিনয়

 স্মৃতির মোহনা _____মোঃ এহসান সরকার বিনয়  --------------------------------------- স্মৃতির মায়া বাসা বেঁধেছে- ক্ষয়ে যাওয়া ইটের বেলকনিতে; নির্মল হৃদয়ের সাথে বিধস্ত আকাশ দেখি ফেলে আসা সময় আরো ফেলে আসি; চোখের পলকে। ধূসর কল্পনায় আকষ্মিক তোমার আগমন; অবচেতনে আমি ঠিকই নিরুদ্দেশ হই। দিবালোকের ক্লান্তি শেষে,  নক্ষত্রহীন রাত আর আমায় ছাড়ে না ক্লান্ত শরীর অক্লান্ত হয়; মহাজাগতিক আলাপনে। বহুপুরোনো স্মৃতি, তবু প্রতিবারই আগ্রহভরে স্বরণ হয়। অত:পর তোমার অনুপস্থিত চোখের দিকে তাকিয়ে; আমার উষ্ণ নোনাজল।

মিহু'র_মায়াবী_তুলি পর্বঃ_০২ _____খাদেমুল আলম

  মিহু'র_মায়াবী_তুলি  পর্বঃ_০২  _____খাদেমুল আলম -------------------------------- পনেরো- বিশ মিনিটের মধ্যে তৌহিদ আমার সামনে উপস্থিত হলো। সে আসতেই আমি দুইটা আঙ্গুল তার হাতের সামনে এগিয়ে নিয়ে বললাম, - 'যেকোনো একটা তুল।' - 'কোনটাতে কি?' - 'একটাতে তুলি বিবাহিত, আরেকটাতে অবিবাহিত।' - 'তুই এরকম বাচ্চাদের মতো আচরণ করছিস কেন?' - 'শুনেছি প্রেমে পরলে মানুষ বাচ্চাদের মতো আচরণ করে, তাহলে আমি আবার তুলির প্রেমে পরেছি।' সে কথা না বাড়িয়ে আমার একটা আঙ্গুল ধরে বললো, - 'এখন খুশী?' আমি বিরক্তিকর দৃষ্টিতে তৌহিদের দিকে তাকিয়ে বললাম, - 'তুলি কি তোকে বলছে সে বিবাহিত?' - 'আমি তো তাকে কখনও দেখিইনি।' - 'তাহলে বিবাহিত হওয়ার আঙ্গুল তুললি কেন? তোকে ডেকে এনেই আমি ভুল করেছি। তুই আমার সামনে থেকে চলে যা।' - 'আরে রাগারাগি বাদ দে তো। তুলির সাথে কথা বলেছিস?' - 'না।' - 'এতদিন পর দেখা হলো বলে দিলি না কেনো? এখন যদি আবার হারিয়ে যায়।' - 'আমার জন্য সে এখনও অপেক্ষা করে আছে কিনা সেটাই তো জানি না।অনেক দিন তো কেটে গে...