Skip to main content

মনের তুষ্টি চাই দয়াময় -----------মোঃ হাবীবুর রহমান

 


মনের তুষ্টি চাই দয়াময় 

-----------মোঃ হাবীবুর রহমান 


তোমার কাছে যা মনে চায় যখন তখন চাই,

সবকিছুই পাই সেটা নয় অনেক কিছুই পাই।


না পেলে তা চাই পুনরায় পাওয়ার পরেও চাই,

তোমার কাছে চাইতে থাকি চাওয়ার বিরাম নাই।


হে দয়াময় মহান দাতা দিয়েছো সব আমায়,

ধন সম্পদ মান সম্মান কিছুই কমতি নাই।


পূর্ণতাতে ও ঘাটতি খুঁজি মাত্রাতিরেক চাই,

এতো পেয়েছি তবুও কেন তৃপ্তি আসে নাই!


এই জীবনের শেষ প্রহরের আখেরি মোনাজাত,

নিজেকে প্রমাণ করতে সুযোগ দাও হে কায়েনাত।


বস্তুগত চাইনা কো আর মনোঃজাগতিক দান,

করজোড়ে চাইছি খোদা দাও তা অফুরান !


মনে আমার পূর্ণতা দাও যে'টুকু পেয়েছি যা-ই,

হোক দয়াময় তৃপ্তি-তুষ্টি জীবন-ব্যাপী স্থায়ী!!

Comments

Popular posts from this blog

বড় হাসির গল্পঃ- “বউ জব্দ”

  বড় হাসির গল্পঃ- “বউ জব্দ” করেছিলাম বাপু ভালবেসে বিয়ে, বউয়ের কতা শুনে মনে হবে এক আস্ত ডানা কাটা টিয়ে। সারাক্ষণ শুধু ঘ্যানার ঘ্যানার আর মশার মত প্যানার প্যানার। ওর আর দোষ কি বলুন, কথা তো দিয়েছিলাম আমিই, যে ওকে রাজরানী করে রাখব। বউকে আবার একটু শাসন করলেই বলে, যাব যেদিন বাপের বাড়ি, সব কাজ করবে তখন পরে বউয়ের শাড়ি।এটা কোন কতা হল কউন দিকি ভাই। এই বউয়ের অত্যাচারর থেকে ইংরেজদের অত্যাচার অনেক গুনে ভাল আসিল। এই তো সেদিন, বউ আমাকে কথায় কথায় কয়ে দিল, “যেমন বাপ তেমন ব্যাটা” আমিও বাপের ব্যাটা ছেড়ে কথা বলার পাত্র নই। কয়ে দিলাম, “তোর মা যেমন করে চাকরি, মেয়ে তেমনই জন্মেছে ফোকরি।“ অমনি ব্যস অমনি, শুরু হয়ে গেল অ্যাভেঞ্জার এন্ড গেম। যাকগে বাপু এবার মর্দা কতায় আসি। বউয়ের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে আমি ঠিক করি দিন পনেরোর ছুটি কাটাতে শিমলা যাব, তাও আবার বউ কে না জানিয়ে। দেখুক, আমি ছাড়া কেমন মজা সংসারে।অফিসে গরমের ছুটি নিয়ে চলে গেলুম শিমলা। শিমলা তে ছুটি কাটাচ্ছি বিন্দাস। বউয়ের কোন অত্যাচার নেই। সাথে ফোন নিয়ে আসিনি, তাই কেউ খোঁজও নিতে পারছে না। আহা আহা কি মজা। স্বর্গ আর কোথায়, এই ...

আধুনিক দাস ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।

  আধুনিক দাস ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।  কবি বলেছিলেন,ঢাকা খুবই ছোট্ট শহর। কারো কষ্টের কথা এখানে চাপা থাকে না। হয় কবি ভুল বলেছেন,নয়তো সময় সেটা ভুল প্রমাণিত করেছে। এখন এই শহরের বুকে অধিকাংশ মানুষই কষ্ট নিয়েই থাকে। অথচ,তাদের কাউকে দেখে মনেই হয় না তারা কষ্টে আছে। পুরুষগুলো হাসি মুখে নিজেদের উন্নতির বয়ান করে যায় চায়ের আড্ডায় বা আত্মীয়ের কাছে। নারীরা রঙ মেখে পরীর মতো সেঁজে গুজে সান্ধ্য পার্টিতে যায় কষ্ট বেঁচতে। এই শহরে কে কাঁদে আর কে খুন হয় তার কোন খবর এখন কেউ রাখে না... তুমি যে খুনের খবর পাও তা কর্পোরেট বিজ্ঞাপন টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়  কষ্ট তো বিক্রি করা যায় না তাই কর্পোরেট বিজনেস সেখানে ইনভেস্ট করে না। কেউ ধর্ষিতা হলে তুমি যে প্রতিবাদ সভা দেখতে পাও সেটার পিছনেও কর্পোরেট বিজনেস আসলে সবাই এখন দাস আধুনিক দাস প্রথার এক বিশাল সুবিধা হলো এখানে তোমাকে দাস ক্রয় করতে টাকা খরচ করতে হয় না... কোন একটি দল বা গ্রুপকে একটু উপরে তুলে দাও কিছু দালাল বুদ্ধিজীবী আর সাংবাদিক ভাড়া করো তারপর টক-শো নামক একটি নাটিকার রচনা করে তা মানুষের মস্তিষ্কের খালি স্থানে প্রবেশ করিয়ে দাও অসংখ্য দাসেরা লা...

পার্থিব সুখ ----খায়রুজ্জামান চৌধূরী টিংকু।

    পার্থিব সুখ ----খায়রুজ্জামান চৌধূরী টিংকু।  পুরুষ সেদিন সমুদ্র থেকে নদী দেখা পেলো মুহু মুহু সৌরভে আমোদিত অঙ্গন বাতাসে শিশিরের গান ভোরের শিশিরে শিহরণ ধীরেধীরে বিকশিত হলো প্রাণ আঁধারে তারার আলো জোছনায় আলোকিত রাত।  জোছনার আলোয় শরীর তার ভাসল রূপালী নদীর জলে জীবন বেলায় দু'জনে দু'জনার সঙ্গ পেল ঘন কুয়াশায়,  পৃথিবীর জমিনে আঁকাবাঁকা পথরেখা দিগ্বিজয়ের ভরসায় শুধালো প্রাচ্যে থেকে প্রতিচ্য পারহলো সমান্তরাল গিরিপথ চেতনার দীপ্ত প্রত্যয়ে ফুলে ওঠে বুক ভ্রমণ এলো কবিতায় এলো কোনো এক ঝর্ণার ধারে অবশেষে সন্যাসীর বেশে।  বিশ্বাসের প্রয়োজন নরম নিঃশ্বাসের মতো প্রান্তেরের শেষে মোহনার প্রান্তে অশোক যে জন মাশুকের তান্ডব খেলা, প্রেমে আনে সুখ, ধরেও প্রেমের বিষক্রিয়ার আসুখ। ওহে ধরনী, বধুয়ার লাজুক কপিন গ্রহন কর তুমি চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে থাকুক তোমার বুকে অন্তকাল, ভালোবেসে শেষে বিরহী সাজলে শুধু তোমাকেই দেখি পেছন ফিরে তাকালে রাণী তুমি সাধক ভিখারি.....।  প্রেম নদীতে স্রোত যায় বয়ে  রূপ যেনো তোমার বয়ে যায় শতধারায় ভাগাভাগি হয়ে, পার্থিব সুখের নাম বিষন্ন উদভ্রান্তের শুণ্য গৃহের অসু...