Skip to main content

নির্জনে অবগাহন ------সুরাইয়া সুলতানা,



নির্জনে অবগাহন

 ------সুরাইয়া সুলতানা, 

***********★********

নিঃস্পৃহ মন এখনো উড়ন্ত ডানার শঙ্খচিলের ক্ষীপ্রতায় স্বপ্নীল আকাশ ছুঁতে চায়,

মানুষ তো! লোভের নির্যাস থাকতেই পারে।


স্বার্থপরতা,অবহেলা আর ঘৃণার আগুনে পুড়ে পুড়ে খাক হোলেও এখনো নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়নি আমার অস্তিত্ব।

বিক্ষুব্ধ মন ফাগুন রঙা কৃষ্ণচূড়ার সৌন্দর্যে উদাসীন, বর্তমানের সংঘাত ছুঁয়ে থাকে যে জীবনের মাস্তল, সেখানে স্বপ্নবিলাসী মন বিশ্বাসের পাল উড়াতে থাকে নির্লিপ্ত।


বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে স্মৃতির পদাবলিতে ধরে রাখা বিষন্ন সুন্দর অতীতগুলো আজ উত্তপ্ত কোলাহলে যন্ত্রণায় দগ্ধ,

বুকের পাঁজরে নীরব কান্না আমাকে করে অন্তঃসার, বেঁচে থাকার স্বপ্ন তখন দুঃস্বপ্ন হয় আমার আকাশ নিলীমায়। 

জীবন নদীর তীর ভাঙা,তীর গড়ার খেলায় এখন ক্লান্ত মন,

জীবনের বেলাভূমিতে প্রলুব্ধ মন সামনে পা বাড়াতে কুণ্ঠায় কাতর,

দুঃস্বপ্নে কাটানো জীবনের প্রহরগুলো তুষের আগুনের মতো পোড়ায় বেঁচে থাকার স্বপ্ন বাসর।


সন্মুখে অদেখা ভবিষ্যৎ, হৃদয়ের অদম্য ইচ্ছেরা ছুঁতে চায় কল্পিত সুখ স্বপ্ন,সময়ের সন্ধিক্ষণে  সাজায় বাসর,বুকে জমা  আকাঙ্ক্ষার বীজ ফলাতে চায়

প্রত্যাশিত সৌরভের সহস্র অমরাবতী,

স্বপ্ন কাতর দুটি চোখে খেলা করে নতুন আলোর বিচ্ছুরণ,

মনে জেগে ওঠে দুরন্ত পিপাসা।


থাক পিছু পড়ে আজ জমাট বাঁধা যত অন্ধকার, অতীতের হাত ধরেই না হয় সন্মুখে পা বাড়াবো,

পিছনে পড়ে থাক স্মৃতির জমাট বাঁধা মেঘ কিংবা বিস্মৃতির অতলে যাক হারিয়ে।

একদিন ঠিক সূর্য বিমুখ আঁধার কেটে যাবে।


তাই তো জীবন নদী ছুটে চলে নিরবধি

 ভালবাসার মোহনায় মিলিত হবার আশায়,

হৃদয় নদীতে শুরু হোক তুমুল মুগ্ধ জলের অনিন্দ্য নাচন।

অতৃপ্ত মন খুঁজে পাক জ্যোৎস্নার চাদর বিছানো মায়াবী কোন নিশ্চিত আশ্রয়।

Comments

Popular posts from this blog

একজন গাজা' শিশুর করুণ আর্তনাদ -- প্রিয় মুসলিম বিশ্ব।

  প্রিয় মুসলিম বিশ্ব, ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।  প্রথমে সবার প্রতি আমার সালাম। আমার বয়স ৮ বছর। আমার পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে শুনে এসেছি, আর বিগত কয়েটি বছর ধরে নিজে দেখছি।আজ অনেকগুলো বছর আমরা নির্যাতিত। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি আমাদের কাছ থেকে একটু একটু করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে থেকেও আমরা আজ উদবাস্তু। না আছে নিরাপদ আশ্রয়, না আছে আমাদের খাবার,পানি। আজ কয়েক মাস যাবত আমাদের উপর চালানো হচ্ছে গনহত্যা। আমরা নির্বাসিত। পিতা মাতা ভাই বোন সবাইকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ। প্রতিদিন আমাদের উপর বোমা হামলা,গুলি চালানো হচ্ছে। ত্রাণ নিতেও এখন ভয় হয়। কতটা নির্মম নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞ চলছে আমাদের উপর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করানো কঠিন হবে। আমাদের অপরাধ কি? আমরা ফিলিস্তিন?  আমরা মুসলিম?  এ পরিচয় কি আমাদের অপরাধ? আল্লাহর এই পৃথিবীর বুকে আমরা কি মানুষ হিসাবে একটু নিরাপদ জীবন চাইতে পারি না? যখন পুরো মুসলিম বিরোধী রাষ্ট্রগুলো একত্র হয়ে আমাদের উপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে,আমাদের ভূমি থেকে আমাদের বিতারিত করছে। তখন কি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো একতাবদ্ধ হয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াতে পারেন না? কেন? কিসের এতো...

কবিতা আবৃত্তি // তোমায় মনে পড়ে

  আবৃত্তি   তোমায় মনে পড়ে।  _____আবুল হোসেন সিরাজী।  মা গো আজ তোমায় মনে পড়ে, পরপারে চলে গেলে আমায় একা রেখে।  আজ চারিদিকে দিকে শূন্যতা,  মনের মাঝে একটুও শান্তি নেই।  আজ শুধু তোমার জন্য মনটা ছট ফট করে,  যে দিকে চোখ পড়ে শূন্যতা বিরাজ করছে।  তোমার মত সুমধুর কন্ঠে  কেউ আমাকে নাম ধরে  ডাকে না।  মা গো তোমার হাতের রান্না খেতে খুব মজা ছিলো,  এখন কোনো খাবার খেতে মন চাই না।  আজ আমি বুঝতে পারিতেছি,  মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়ার ভান্ডার, মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার।  মা গো তুমি আমাকে  পারিবারিক শিক্ষা ধর্মীয় শিক্ষা দিয়েছ, সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত করিয়াছ। মা গো তোমার অবদানের কারণে,  আমি সমাজের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।  মা গো তুমি আমার কাছে,  পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা। মা আমার মানিক রতন তুলনা নাই তাঁর,  মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দোয়া করতেন ছেলে টি তাঁর। ********* _____আবুল হোসেন সিরাজী।  আরও কবিতা : মানবতা ধ্বংস  মায়ার বাঁধন ছিন্ন হবে।