Skip to main content

দাজ্জালকে খোদা হিসাবে মেনে নিয়েছি?

দাজ্জালকে খোদা হিসাবে মেনে নিয়েছি?


দাজ্জাল খোদা রুপে প্রকাশিত হয়েছে?


_____অরন্য হাসান দেলোয়ার। 


পবিত্র আল কোরআন পুরোটাই আধ্যাত্মিকতায় ভরা। কোরআনের বাংলা অর্থ বুঝতে পারা মানেই কোরআন বুঝে ফেলেছি এটা বলা যাবে না।

তার আধ্যাত্মিকতা বুঝতে হবে। সেটা বুঝতে হলে গভীরতায় ডুব দিতে হবে।


পবিত্র কোরআনে বলা আছে তোমরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় সালাতে ধারে কাছেও যেও না। এই নেশাগ্রস্ত অবস্থা বলতে সাধারণত আমরা মদ জাতীয় কিছু পান করা অবস্থা বুঝে থাকি। অথচ এর আধ্যাত্মিকতা ব্যাপক। এখানে নেশাগ্রস্ত বলতে বোঝানো হয়েছে মোহগ্রস্ত অবস্থায় তোমরা সালাতের ধারে কাছেও যেওনা। মোহ কি আমরা সবাই জানি। দুনিয়ার লোভ লালসা,অর্থের মোহ,সম্পদের মোহ,সহ বিভিন্ন মোহের নেশা এইরকম নেশাগ্রস্থ অবস্থায় সালাতের ধারে কাছে যেতে মানা করেছেন। 

অথচ আমরা ধরে নিয়েছি মদ জাতীয় কোন নেশা। এই ভুল জ্ঞানের জন্য আমরা জীবনকে বিপদগ্রস্ত করে ফেলেছি।

যেমন বলা হয়েছে সালাতে দাঁড়াবার আগে পবিত্রতা অর্জন করো। পবিত্রতা অর্জন করো ওজুর মাধ্যমে।

এখানে ওজু হলো রুপোক অর্থ। 

রুপোকের আধ্যাত্মিকতা বুঝতে হবে। সেই আধ্যাত্মিকতা কি? এটা বুঝতে হলে আগে বুঝতে হবে পবিতা আর অপবিত্রতা কি?


আরও পড়ুন :

দাজ্জালের আগমন এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের বর্তমান রাজনীতি। 


মিথ্যা হলো অপবিত্র। সকল ধরনের মিথ্যাই অপবিত্র। আর এর ব্যপকতা বোঝাতে আল্লাহ তার রাসুলকে আল আমিন হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নবী করিম সা: তার জীবনে কখনো একটিও মিথ্যা কথা বলেন নি।

এই যে মিথ্যা এটাই সকল পাপের উৎস। 


তাই আপনাকে পবিত্র হতে হলে মিথ্যাকে ছাড়তে হবে।

আল্লাহ পবিত্র।আর আল্লাহ অপবিত্র কোথাও থাকেন না। তাহলে যার ভিতরে মিথ্যা আছে সে কি করে আল্লাহর সানিধ্য আশা করে? সালাত হলো আল্লাহর সানিধ্যে যাবার পথ। সেই পথে যেতে হলে অবশ্যই পবিত্র অবস্থায় যেতে হবে। সেটা পানি দিয়ে শরীর পরিস্কারকে বোঝায় না।


আল্লাহর বিচারের দিনে দাঁড়াবে মানুষ এবং জ্বীন।কিন্তু বিচার হবে রুহ এর। দেহের নয়। দেহ বস্তু জগত। যার কোন বিচার হবে না। বিচার হবে রুহ এর।  এখন শরীর পবিত্র না অপবিত্র তার কোন মূল্য নেই। কারন আপনার রুহ কতটা পবিত্র সেটাই মূল কথা। তাই সালাতের আগে ওজুর মাধ্যমে যে পবিত্রতা অর্জন করতে আল্লাহ বলেছেন,সেটা রুপক অর্থে। আপনার রুহ কে পবিত্র করার কথা বলা হয়েছে।


আমাদের ভিতরে যে ভুল ব্যখ্যা গুলো দেয়া হয়েছে যুগযুগ ধরে তার পিছনে একটি গোষ্ঠীর বানিজ্য নিহিত রয়েছে। এই বানিজ্যের কারনে আমাদের কাছে পবিত্র কোরআনের আধ্যাত্মিকতাকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে।


জ্ঞান হচ্ছে আলো বা নূর। জ্ঞান আল্লাহ প্রদত্ত। প্রতিটি সুজ্ঞানী ব্যক্তি আল্লাহর আলোয় আলোকিত। আল্লাহর বান্দা মানে হলো আল্লাহর গোলাম। আল্লাহর গোলাম মানে হলো আল্লাহর আদেশ পালনকারী।


আমরা যদি সাধারণ ভাবে বুঝতে যাই। আপনি বা আমি এবং আমরা যারা চাকরি করি,তারা সেই প্রতিষ্ঠানের মালিকের আদেশকে ফলো করি। মালিক যদি বলেন যে আপনি ফাইলটা আনেন আমরা আনি।এখানে মালিক যে আদেশ দিলেন,আর আমি যে আদেশ পালন করলাম সেটাই মালিকের নির্দেশ বা মালিক নিজেই করলেন,মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করলেন আমাকে।


তাহলে আল্লাহ থেকে আল্লাহর বান্দা বা গোলাম কখনোই আলাদা নয়। অর্থাৎ আল্লাহ যা আদেশ করেছেন তা যদি একজন বান্দা বা গোলাম পালন করেন তাহলে সে তার আল্লাহ হতে কোন ভাবেই আলাদা নয়। কারণ কাজটা আল্লাহ তার বান্দার মাধ্যমে করিয়ে নিয়েছেন।


আল্লাহর বান্দা বা গোলাম হবার প্রধান শর্ত হলো পবিত্রতা। আল্লাহ অপবিত্র কোন স্থানে থাকেন না।

আর এই পবিত্রতা অর্জন করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে আমাকে মিথ্যা ছাড়তে হবে। মোহের নেশা ছাড়তে হবে।


দুনিয়াবি যে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আমরা আছি সেই নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আল্লাহর কাছে যাওয়া নিষিদ্ধ। 

রুহ এর পবিত্রতা অর্জন ব্যাতিত আল্লাহর সানিধ্য লাভ করা যাবে না।


আর রুহ এর পবিত্রতা অর্জন করতে হলে আমাদের পবিত্র কোরআনের আধ্যাত্মিকতাকে বুঝতে হবে। সেই আধ্যাত্মিকতা বুঝতে হলে জ্ঞান অর্জন করতে হবে।


আপনি সত্যিকারের জ্ঞান অর্জন ব্যাতিত দাজ্জালকে চিনতে পারবেন না। নবী করিম সা: বলেছেন,আমি দুনিয়ায় থাকা অবস্থায় যদি দাজ্জাল প্রকাশ হয় তাহলে আল্লাহর করুণা ব্যাতিত আমার ঈমানও ধরে রাখা কঠিন হবে। এই কথার মাধ্যমে দাজ্জালের ফিতনার ভয়ংকর গভীরতা বোঝানো হয়েছে। কতটা ভয়ংকর দাজ্জালের ফিতনা বুঝতেই পারছেন। জলন্ত কয়লা হয় তো আপনি চার পাচ সেকেন্ড হাতের তালুতে রাখতে পারবেন,কিন্তু ঈমান নয়। 


আমরা এখন সেই ভয়ংকর সময়ের ভিতরে বাস করছি। আমাদের চাল চলন কথা বার্তায় শিরক ঢুকে গেছে। আমরা বুঝতেও পারছি না।


দাজ্জাল আরবি শব্দ। দাজ্জালকে পুরোপুরি বুঝতে হলে আপনাকে আপনার মায়ের ভাষায় বুঝতে হবে। অর্থাৎ দাজ্জাল এর বাংলা অর্থ জানতে হবে। সেটা কি?

সেটা হলো,চাকচিক্যময় ধোঁকা।


চাকচিক্যময় ধোকা কি? দেখুন নবীজির একটি বিখ্যাত হাদিস আছে আমাদের বর্তমান সময়কে নিয়ে। সেটি কি?

সেটি হলো,নবীজি বলেছেন আমি এমন এক সময়ের আশংকা করছি,যে সময় মসজিদ গুলো চাকচিক্যময় হবে কিন্তু তার ভিতর থেকে কেউ হেদায়েত প্রাপ্ত হয়ে বের হবে না,আর সেই সময়ের আলেমরা হবে আসমানের নিচে সবচাইতে নিৎকৃষ্ট প্রাণী।


আমাদের এখন সব রকম চাকচিক্যময় জীবন টানে। আমরা বাড়িঘর থেকে নিজদের সাজসজ্জা সবকিছুই চাকচিক্যময় করতে ব্যাস্ত। সেই রকম ভাবে আমরা মসজিদ নির্মাণের দিকে কতটা আধুনিক আর চাকচিক্যময় করতে পারি,তার বাহ্যিক দিক ভিতরের দিক কতটা আলোকময় করতে পারি,অন্যের তৈরি মসজিদ থেকে আমার তৈরি মসজিদ কতটা আকর্ষণীয় করা যায় তার দিকেই নজর আমাদের।


আমরা আমাদের নিজস্ব মাতৃভূমির চাইতে চাকচিক্যময় ইউরোপ আমেরিকার জীবন যাপন পছন্দ করে থাকি। আমাদের আসবাব,কাপড় চোপড়,কতটা চাকচিক্যময় হলো,অন্যকে কতটা আকর্ষণ করতে পারলো সেই দিকে নজর বেশি। 


অথচ মুসলমানদের চরিত্র চাকচিক্যময় করার কথা ছিলো। রুহ কে চাকচিক্যময় করার কথা ছিলো। আমরা রুহ কে চাকচিক্যময় না করে শরীরকে চাকচিক্যময় করছি। চুলের ফ্যাশন,শরীরে উল্কা,দামি ব্রাণ্ডের ঘড়ি,দামি জুতো,জুয়েলারি,মেকাপ,দামী মোবাইল,এইসব দিয়ে আমরা অন্যকে আকর্ষন করতে ব্যস্ত। আমরা এখন শো অফ করি। 


আমরা কে কতটা আধুনিক,গর্জিয়াস জীবন যাপন করি তা দেখানোর প্রতিযোগিতায় লিপ্ত। আমাদের আলেম সমাজের অনেকেই আজকাল নিজদের জীবন স্টাইল সামাজিক মাধ্যমে শো-অফ করেন। তারা ফ্যামিলি নিয়ে কোথাও ঘুরতে গেলে,সেইখানকার দামি হোটেল,সহ খাবারের মেনু টেবিলে সাজিয়ে তার ছবি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে পোষ্ট করে শো অফ করেন।


অথচ তার এই ছবি ভিডিও একজন ক্ষুধার্ত ব্যাক্তিও দেখতে পারেন,এই কথা তার মনে পরে না। যিনি আমার পথ প্রদর্শক হবেন তিনিও উন্নত জীবন,চাকচিক্যময় জীবনের লোভ দেখাচ্ছেন। দাজ্জালের ফিতনা ভীষণ ভয়ংকর, তা সবাইকে গ্রাস করে ফেলেছেন।


অথচ একজন মুসলমান হিসাবে আমাকে আমার রুহ এর চাকচিক্য নিয়ে কাজ করার কথা ছিলো। রুহ কে সকল মোহের নেশা মুক্ত রাখার কথা ছিলো। রুহ কে পবিত্র রাখার কথা ছিলো।


রুহ এর পবিত্রতা ঠিক না করে আমরা শরীরের পবিত্রতা রক্ষা নিয়ে ভীষণ ব্যাস্ত। অথচ শরীর মাটিতে মিশে যাবে তার পবিত্রতা কোন কাজেই আসবে না।

রুহ এর পবিত্রতা আমাকে আল্লাহর বিচারের দিনে মুক্তি দিতে পারে।


চলবে....

Comments

Popular posts from this blog

স্টোরি দ্যা দাজ্জাল ২য় পর্ব।

স্টোরি দ্যা দাজ্জাল। ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।  আমেনা জ্ঞান ফিরবার পর নিজেকে একটি আশ্রয় কেন্দ্রের ভিতর আবিস্কার করে। আমেনাকে এক টুকরো রুটি আর পানি খেতে দেয়া হয়েছে। আমেনা সেগুলো খেয়ে একটু ভালো অনুভব করে। আমেনা আশ্রয় কেন্দ্রের একটি ছোট্ট চিকিৎসা কেন্দ্রের ভিতরে মাটির উপর একটুকরো চাদর বেছানো তার উপরে বসে আশেপাশে দেখছে তার মতো অসংখ্য শিশু এখানে চিকিৎসা নিচ্ছে। কারো হাত নেই,কারো পা নেই।কারো শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত।কারো মাথায় আঘাত। চারদিকে শিশুদের কান্নার শব্দে আমেনার মন ভারী হয়ে উঠে। ক আমেনার পিছনের স্মৃতি মনে পড়ে-- বাবা মা ভাই বোন মিলে একটা সুখের পরিবার ছিলো তাদের। যদিও অভাব ছিলো,তারপরও সুখ ছিলো। প্রতিবেশী অনেকেই বিভিন্নভাবে ফিলিস্তিন ছেড়ে পাশের রাষ্ট্র গুলোতে যাবার চেষ্টা করতো,এবং অনেকে গিয়েছেও। সেইসব রাষ্ট্র থেকে তারা বিভিন্ন উপায়ে ইউরোপ কিংবা অন্য কোন উন্নত মুসলিম রাষ্ট্রে চলে যেতো। আমেনার বাবাকেও অনেকে বলেছে,সন্তানদের নিয়ে অন্যকোন রাষ্ট্রে চলে যেতে। ইউরোপ যেতে পারলে জীবন বদলে যাবে।এমন অনেক স্বপ্ন দেখাতো। এই মৃত্যুপুরি থেকে বের হবার কি আপ্রাণ চেষ্টা মানুষগুলোর। কিন্তু আমেনা...

ছোট গল্প : "না" ----সুর্বনা_শারমিন_নিশী

 "না" _____সুর্বনা_শারমিন_নিশী নিজের বিয়ের জন্য পাত্র দেখতে গিয়েছিলাম একটা রেস্টুরেন্টে। বুক দুরু দুরু করছে, ওটাই প্রথম একাকী কোন ছেলের সাথে নিজের বিয়ের জন্য আলাপচারিতা করা। আমার নিজস্ব কনফিডেন্সি কোন অভাব নেই কিন্তু তবুও বাসায় আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বেশ কয়েকবার প্র্যাকটিস করেছিলাম। কিভাবে কথা শুরু করব, কি বলবো তা নিয়ে একটু নার্ভাস ছিলাম। আমার পরিবার, ছেলে আর ছেলের পরিবারের সঙ্গে কথাবার্তা বলে এসেছে তাদের ভালো লেগেছে। অবশ্য ভালো না লাগার কোন কারণ নেই। ছেলে পেশায় একজন চিকিৎসক, পোস্ট গ্রাজুয়েশন করছিল, ছোট শিক্ষিত পরিবার, উচ্চতায় একটু খাটো অবশ্য এসব ব্যাপার নিয়ে আমি মাথা ঘামাই না। ছেলের পরিবার চুপিসারে আমাকে আমার কর্মস্থলে দেখে গেছে এবং পছন্দও হয়েছে তাদের। তাই সেদিনের সেই আয়োজন। দুবার অবশ্যই উনার সাথে ফোনে কথা হয়েছে আমার তবে সেটা স্বল্প সময়ের জন্য। সেদিন প্রথম দেখা, রেস্টুরেন্টে ঢুকে চিনতে ভুল হলো না। উনিও সহাস্যে উঠে দাঁড়ালেন। কিছুক্ষণ হাই হ্যালো এই ধরনের কথাবার্তা চললো। তারপর কথা চলে গেল একটু ভিন্ন দিকে যেমন আমি রান্না করতে পছন্দ করি কিনা কোন কোন র...

আল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে কি আমেরিকা নিজেকে নিয়ে গেছে??ফেরাউন কি ফিরে এসেছে??

আল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবে কি আমেরিকা নিজেকে নিয়ে গেছে??ফেরাউন কি ফিরে এসেছে?? _____অরন্য হাসান দেলোয়ার।  আসুন বিশ্লেষণ করে দেখা যাক।  ইরাক থেকে শুরু করে সিরিয়া লিবিয়া আফগান ফিলিস্তিন সহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ আমেরিকার দ্বারা ধ্বংস প্রাপ্ত হয়ে গেছে। এটা বাস্তব সত্য। আপনি যদি মুসলমানদের প্রশ্ন করেন যে,আমেরিকা কি মুসলমানদের বন্ধু না শত্রু? উত্তর পাবেন মিশ্র। কেউ শত্রু বলবে,কেউ বন্ধু বলবে,আবার অনেকে দুটোই বলবে। আরও পড়ুনপ: দাজ্জাল এবং লাল গরু ফিলিস্তিন স্বাধীনতা আন্দোলন কেন করছে? ফিলিস্তিন কি পরাধীন কোন রাষ্ট্র ছিলো? তাহলে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার প্রশ্ন কেন আসছে? ইহুদিরা ফিলিস্তিনে জোর জবরদস্তি প্রবেশ করেছে,ফিলিস্তিনের ভূমি দখল করে নিজেদের একটা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে,এর পিছনে বৃটিশ এবং রথ চাইল্ড ফ্যামিলি মূল ভূমিকা রেখেছিলো। এরপর বৃটিশরা ইহুদিদের দায়িত্ব আমেরিকার হাতে বুঝিয়ে দিয়ে নিজেরা কিছুটা দুরত্ব বজায় রেখে ইসরায়েলের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এইসব কিছু স্বচ্ছ আয়নার মতো পরিস্কার হবার পরও মধ্যপ্রাচ্যের সকল রাষ্ট্র বাস্তবিক কোন পদক্ষেপ নেয় নি।ফিলিস্তিনের পক্ষে জোড়ালো কোন পদক্ষে...