Skip to main content

আশ্বাস _____জয়শ্রী বসু

 

আশ্বাস 

_____জয়শ্রী বসু 


একটা নাম দেবে আমার কবিতার?

সেই শুরু,

স্বর্গ   শোভা  ব্রহ্ম কমল আনলাম,

উদ্ভাসিত অমর্ত সুবাস,

আমার প্রত্যন্ত স্বপ্ন,

আহরিতো সে সুখ। 


সমুদ্র আমার   নীল  চোখে উৎসুক ,

তরঙ্গ উচ্ছাসে মুগ্ধতা আমার একান্ত ভালবাসা।

সোহাগী তিস্তা পাহাড় আবিষ্টনে স্রোতস্বিনী,

প্লাবনী প্রেম। 

ভেসে যায় মন,

ছুঁয়েছে  সত্তার  নিভৃত  আবাহন। 

কবিতার  ঝুলিতে  অনেক স্বপ্ন মায়া।


সহসা তমশা ঝঞ্ঝা প্রলয়,

ভেঙে যায় স্বপ্ন,

ভেঙে যায় সুখ ,

হুতাশ  বাতাসে হাহাকার। 


আর্ত হলাম  "আমার নাম?"


সময়ের অনু পরমানু ভাঙলো নিউরনে ,

আদর্শনের  অশনি করাঘাত,

চূর্ণ-বিচূর্ণ আমিত্ব ।

সঞ্চয়ের স্বপ্ন শূন্যতায় আঁধার আবর্তে ,

দিশাহীন পথ। 

গহন অন্ধকারের  আগ্রহী আলিঙ্গন। 


নক্ষত্র  প্রভাসে  সমুদ্রযাপন,

তিস্তার অমৃত অবগাহন ,

দৃশ্য হীন মায়া। 


জীবন বৃত্তে পরাবৃত্তে 


গম্ভীর মহা জীবনের  আশ্বাস ,


"সো   অহম "


"আমি ব্রহ্ম,

দুঃখ   ,শোক ,অহমিকা 

ধারণ করেছি বক্ষে ,

নীলকন্ঠ আমি ।


আমি চির সুখ ,চির প্রেম 

তবু   তোমাতেই পূর্ণ আমি।"

_______________________

সুজন সাঁই 

____জয়শ্রী বসু  


ডাক পাঠালে ভব নদীর অগম পাড়ে,

আমার মনের সুখের পাখি,

সোনার শিকল,

জড়াই  তারে মন পিঞ্জরে। 


দিনে দিনে  ভাঙছে পাঁচিল পাঁচ পাহারার  মাটির ঘরের। 

উড়ে যায় সুখের পাখি ।

দুঃখ রাতের সুখের তারা,

শ্রাবণ রাতের অঝোর ধারায়। 


একতারাতে তোমার সুরে ,

বেদন  বেহাগ পথে পথে,

সে       সুর বাজে  অন্তরাতে,

মর্ম মাঝে।

গোপন ব্যাথার  তারে তারে।

আকাশ বাতাস  ব্যক্ত সে সুর গভীর টানে। 


বিশ্ব ভুবন তোমার সুরে,

সুর মেলাতে আপন   টানের,

 সুর  ভুলে যায়। 

ঘরের বাঁধন  পর হয়ে যায়,

তুচ্ছ জীবনপুরের লেনাদেনা 

আপন ভাবা। 


তোমার চাওয়া অচিনপুরের

 সাগর  ঢেউয়ে ,

ডুব দিতে হয় অতল গহন। 


অরূপ রতন নাইবা পেলাম,

শুধু তোমার রূপের ছোঁয়া স্পর্শ দিও,

হৃদয় উথাল সুরের নেশায়,

তোমার সুরের একটি সুরে,

অবুঝ আমার বীণার তারে,

বাঁধবো  সুরে। 

সুরের চেতন মগ্ন হবে,

মগ্ন হবে,

ঝরবে করুণ  সজল  আঁখির   অশ্রু ধারা, 

সুজন সাঁই তোমায় ভেবে।

Comments

Popular posts from this blog

বড় হাসির গল্পঃ- “বউ জব্দ”

  বড় হাসির গল্পঃ- “বউ জব্দ” করেছিলাম বাপু ভালবেসে বিয়ে, বউয়ের কতা শুনে মনে হবে এক আস্ত ডানা কাটা টিয়ে। সারাক্ষণ শুধু ঘ্যানার ঘ্যানার আর মশার মত প্যানার প্যানার। ওর আর দোষ কি বলুন, কথা তো দিয়েছিলাম আমিই, যে ওকে রাজরানী করে রাখব। বউকে আবার একটু শাসন করলেই বলে, যাব যেদিন বাপের বাড়ি, সব কাজ করবে তখন পরে বউয়ের শাড়ি।এটা কোন কতা হল কউন দিকি ভাই। এই বউয়ের অত্যাচারর থেকে ইংরেজদের অত্যাচার অনেক গুনে ভাল আসিল। এই তো সেদিন, বউ আমাকে কথায় কথায় কয়ে দিল, “যেমন বাপ তেমন ব্যাটা” আমিও বাপের ব্যাটা ছেড়ে কথা বলার পাত্র নই। কয়ে দিলাম, “তোর মা যেমন করে চাকরি, মেয়ে তেমনই জন্মেছে ফোকরি।“ অমনি ব্যস অমনি, শুরু হয়ে গেল অ্যাভেঞ্জার এন্ড গেম। যাকগে বাপু এবার মর্দা কতায় আসি। বউয়ের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে আমি ঠিক করি দিন পনেরোর ছুটি কাটাতে শিমলা যাব, তাও আবার বউ কে না জানিয়ে। দেখুক, আমি ছাড়া কেমন মজা সংসারে।অফিসে গরমের ছুটি নিয়ে চলে গেলুম শিমলা। শিমলা তে ছুটি কাটাচ্ছি বিন্দাস। বউয়ের কোন অত্যাচার নেই। সাথে ফোন নিয়ে আসিনি, তাই কেউ খোঁজও নিতে পারছে না। আহা আহা কি মজা। স্বর্গ আর কোথায়, এই ...

পুণ্যের চাঁদ _____মহসিন আলম মুহিন।

  পুণ্যের চাঁদ _____মহসিন আলম মুহিন। শোন মুসলমান,এসেছে রমজান, উঠেছে পুণ্যের চাঁদ,কি সুন্দর আসমান।কবিতার নামঃ-পুণ্যের চাঁদ কবির নামঃ-মহসিন আলম মুহিন। শোন মুসলমান,এসেছে রমজান, উঠেছে পুণ্যের চাঁদ,কি সুন্দর আসমান। ঘুমন্ত আত্মারে জাগ্রত করার তরে, আলো হয়ে আল-হেলাল উঠেছে গগন জুড়ে। মুসলিম জাহানে এ যে জান্নাতের সন্ধান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। আজ হতে সকল মুসলমান, মজবুত করো তোমাদের ঈমান, খোদার রাহে করো তোমার ইচ্ছাকে কোরবান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। দিন গত হয়েছে রাত্রি এসেছে, মুয়াজ্জিন এশার আযান দিতেছে, করো না দেরী শুনে মধুর এ আহবান, তারাবীহ্ পড়তে মসজিদে লও স্থান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। ভূলে যেওনা রেখো স্মরণ, কখনো হৃদয় হতে করো না গোপন, করতে হবে রোজার সাথে সাথে পালন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের ফরমান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। অর্ধ রাত্রিতে উঠে পর ঘুম হতে, তাহাজ্জুদ পড়ে সাহরী খেয়ে যাও সবে নিয়্যতে, ফরিয়াদ জানাও "হে রহমান"- রাখতে পারি যেন এই দিবসের মান,  দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। ইফতার করতে যখন বান্দায়, কাতার করে একসাথে বস...

পার্থিব সুখ ----খায়রুজ্জামান চৌধূরী টিংকু।

    পার্থিব সুখ ----খায়রুজ্জামান চৌধূরী টিংকু।  পুরুষ সেদিন সমুদ্র থেকে নদী দেখা পেলো মুহু মুহু সৌরভে আমোদিত অঙ্গন বাতাসে শিশিরের গান ভোরের শিশিরে শিহরণ ধীরেধীরে বিকশিত হলো প্রাণ আঁধারে তারার আলো জোছনায় আলোকিত রাত।  জোছনার আলোয় শরীর তার ভাসল রূপালী নদীর জলে জীবন বেলায় দু'জনে দু'জনার সঙ্গ পেল ঘন কুয়াশায়,  পৃথিবীর জমিনে আঁকাবাঁকা পথরেখা দিগ্বিজয়ের ভরসায় শুধালো প্রাচ্যে থেকে প্রতিচ্য পারহলো সমান্তরাল গিরিপথ চেতনার দীপ্ত প্রত্যয়ে ফুলে ওঠে বুক ভ্রমণ এলো কবিতায় এলো কোনো এক ঝর্ণার ধারে অবশেষে সন্যাসীর বেশে।  বিশ্বাসের প্রয়োজন নরম নিঃশ্বাসের মতো প্রান্তেরের শেষে মোহনার প্রান্তে অশোক যে জন মাশুকের তান্ডব খেলা, প্রেমে আনে সুখ, ধরেও প্রেমের বিষক্রিয়ার আসুখ। ওহে ধরনী, বধুয়ার লাজুক কপিন গ্রহন কর তুমি চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে থাকুক তোমার বুকে অন্তকাল, ভালোবেসে শেষে বিরহী সাজলে শুধু তোমাকেই দেখি পেছন ফিরে তাকালে রাণী তুমি সাধক ভিখারি.....।  প্রেম নদীতে স্রোত যায় বয়ে  রূপ যেনো তোমার বয়ে যায় শতধারায় ভাগাভাগি হয়ে, পার্থিব সুখের নাম বিষন্ন উদভ্রান্তের শুণ্য গৃহের অসু...