Skip to main content

পুণ্যের চাঁদ _____মহসিন আলম মুহিন।

 

পুণ্যের চাঁদ

_____মহসিন আলম মুহিন।


শোন মুসলমান,এসেছে রমজান,

উঠেছে পুণ্যের চাঁদ,কি সুন্দর আসমান।কবিতার নামঃ-পুণ্যের চাঁদ

কবির নামঃ-মহসিন আলম মুহিন।


শোন মুসলমান,এসেছে রমজান,

উঠেছে পুণ্যের চাঁদ,কি সুন্দর আসমান।

ঘুমন্ত আত্মারে জাগ্রত করার তরে,

আলো হয়ে আল-হেলাল উঠেছে গগন জুড়ে।

মুসলিম জাহানে এ যে জান্নাতের সন্ধান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


আজ হতে সকল মুসলমান,

মজবুত করো তোমাদের ঈমান,

খোদার রাহে করো তোমার ইচ্ছাকে কোরবান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


দিন গত হয়েছে রাত্রি এসেছে,

মুয়াজ্জিন এশার আযান দিতেছে,

করো না দেরী শুনে মধুর এ আহবান,

তারাবীহ্ পড়তে মসজিদে লও স্থান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


ভূলে যেওনা রেখো স্মরণ,

কখনো হৃদয় হতে করো না গোপন,

করতে হবে রোজার সাথে সাথে পালন,

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের ফরমান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


অর্ধ রাত্রিতে উঠে পর ঘুম হতে,

তাহাজ্জুদ পড়ে সাহরী খেয়ে যাও সবে নিয়্যতে,

ফরিয়াদ জানাও "হে রহমান"-

রাখতে পারি যেন এই দিবসের মান, 

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


ইফতার করতে যখন বান্দায়,

কাতার করে একসাথে বসে যায়,

ডেকে ডেকে বলেন খোদায়,

বল বান্দা যার মনে আছে যে আরজি খান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


এই তো সেই মাস বরকতে রমজান,

যে মাসে ধরণীতে এসেছিল কোরআন,

পাহাড়-পর্বত,বৃক্ষরাজি আর জমিন আসমান,

নিতে পারেনি যারে নিয়েছিল ইনসান-(মহানবী সাঃ),

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


রমজান মাসে বরকত আসে,

ব্যবসা-বাণিজ্যে হিসেব কষে,

দিতে বলেছেন আল্লাহ মহান,

গরীবের হক যাকাতের বিধান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


একটি মাস ধৈর্য্য ধরে,

সংযমী যারা হতে পারে,

মসিবতের দিনে তাদের তরে,

নিজ হাতে পুরস্কার দিবেন সর্বশক্তিমান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


পরীক্ষাই নেবে কষ্ট দেবে,

খুশীর বাণী নাহি শোনাবে,

তেমন তো নয় মালিক-সুবহান,

বান্দার তরে তিনি যে দয়াবান

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


রমজানের বিদায় বেদনা,

বান্দার মনে যেন থাকে না,

তাইতো দিলেন ঈদের বিধান,

এ যে মহা আনন্দের,মহানপ্রভুর দান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


মোঃ-মহসিন আলম মুহিন

গ্রামঃ-খামার গ্রাম কলেজ পাড়া

থানাঃ-এনায়েতপুর

উপজেলাঃ-চৌহালী

জেলাঃ-সিরাজগঞ্জ।

ঘুমন্ত আত্মারে জাগ্রত করার তরে,

আলো হয়ে আল-হেলাল উঠেছে গগন জুড়ে।

মুসলিম জাহানে এ যে জান্নাতের সন্ধান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


আজ হতে সকল মুসলমান,

মজবুত করো তোমাদের ঈমান,

খোদার রাহে করো তোমার ইচ্ছাকে কোরবান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


দিন গত হয়েছে রাত্রি এসেছে,

মুয়াজ্জিন এশার আযান দিতেছে,

করো না দেরী শুনে মধুর এ আহবান,

তারাবীহ্ পড়তে মাসজিদে লও স্থান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


ভূলে যেওনা রেখো স্মরণ,

কখনো হৃদয় হতে করো না গোপন,

করতে হবে রোজার সাথে পালন,

পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের ফরমান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


অর্ধ রাত্রিতে উঠে পর ঘুম হতে,

তাহাজ্জুদ পড়ে সাহরী খেয়ে যাও সবে নিয়্যতে,

ফরিয়াদ জানাও "হে রহমান"-

রাখতে পারি যেন এই দিবসের মান, 

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


ইফতার করতে যখন বান্দায়,

কাতার করে একসাথে বসে যায়,

ডেকে ডেকে বলেন খোদায়,

বল বান্দা যার মনে আছে যে আরজি খান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


এই তো সেই মাস বরকতে রমজান,

যে মাসে ধরণীতে এসেছিল কোরআন,

পাহাড়-পর্বত, বৃক্ষরাজি আর জমিন আসমান,

নিতে পারেনি যারে নিয়েছিল ইনসান-(মহানবী সাঃ),

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


রমজান মাসে বরকত আসে,

ব্যবসা-বাণিজ্যে হিসেব কষে,

দিতে বলেছেন আল্লাহ মহান,

গরীবের হক যাকাতের বিধান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


একটি মাস ধৈর্য্য ধরে,

সংযমী যারা হতে পারে,

মসিবতের দিনে তাদের তরে,

নিজ হাতে পুরস্কার দিবেন সর্বশক্তিমান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


পরীক্ষাই নেবে কষ্ট দেবে,

খুশীর বাণী নাহি শোনাবে,

তেমন তো নয় মালিক-সুবহান,

বান্দার তরে তিনি যে দয়াবান

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।


রমজানের বিদায় বেদনা,

বান্দার মনে যেন থাকে না,

তাইতো দিলেন ঈদের বিধান,

এ যে মহা আনন্দের, মহা প্রভুর দান,

দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।।

💢💢💢💢💢💢💢💢💢💢



Comments

Popular posts from this blog

একজন গাজা' শিশুর করুণ আর্তনাদ -- প্রিয় মুসলিম বিশ্ব।

  প্রিয় মুসলিম বিশ্ব, ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।  প্রথমে সবার প্রতি আমার সালাম। আমার বয়স ৮ বছর। আমার পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে শুনে এসেছি, আর বিগত কয়েটি বছর ধরে নিজে দেখছি।আজ অনেকগুলো বছর আমরা নির্যাতিত। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি আমাদের কাছ থেকে একটু একটু করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে থেকেও আমরা আজ উদবাস্তু। না আছে নিরাপদ আশ্রয়, না আছে আমাদের খাবার,পানি। আজ কয়েক মাস যাবত আমাদের উপর চালানো হচ্ছে গনহত্যা। আমরা নির্বাসিত। পিতা মাতা ভাই বোন সবাইকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ। প্রতিদিন আমাদের উপর বোমা হামলা,গুলি চালানো হচ্ছে। ত্রাণ নিতেও এখন ভয় হয়। কতটা নির্মম নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞ চলছে আমাদের উপর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করানো কঠিন হবে। আমাদের অপরাধ কি? আমরা ফিলিস্তিন?  আমরা মুসলিম?  এ পরিচয় কি আমাদের অপরাধ? আল্লাহর এই পৃথিবীর বুকে আমরা কি মানুষ হিসাবে একটু নিরাপদ জীবন চাইতে পারি না? যখন পুরো মুসলিম বিরোধী রাষ্ট্রগুলো একত্র হয়ে আমাদের উপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে,আমাদের ভূমি থেকে আমাদের বিতারিত করছে। তখন কি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো একতাবদ্ধ হয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াতে পারেন না? কেন? কিসের এতো...

কবিতা আবৃত্তি // তোমায় মনে পড়ে

  আবৃত্তি   তোমায় মনে পড়ে।  _____আবুল হোসেন সিরাজী।  মা গো আজ তোমায় মনে পড়ে, পরপারে চলে গেলে আমায় একা রেখে।  আজ চারিদিকে দিকে শূন্যতা,  মনের মাঝে একটুও শান্তি নেই।  আজ শুধু তোমার জন্য মনটা ছট ফট করে,  যে দিকে চোখ পড়ে শূন্যতা বিরাজ করছে।  তোমার মত সুমধুর কন্ঠে  কেউ আমাকে নাম ধরে  ডাকে না।  মা গো তোমার হাতের রান্না খেতে খুব মজা ছিলো,  এখন কোনো খাবার খেতে মন চাই না।  আজ আমি বুঝতে পারিতেছি,  মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়ার ভান্ডার, মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার।  মা গো তুমি আমাকে  পারিবারিক শিক্ষা ধর্মীয় শিক্ষা দিয়েছ, সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত করিয়াছ। মা গো তোমার অবদানের কারণে,  আমি সমাজের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।  মা গো তুমি আমার কাছে,  পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা। মা আমার মানিক রতন তুলনা নাই তাঁর,  মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দোয়া করতেন ছেলে টি তাঁর। ********* _____আবুল হোসেন সিরাজী।  আরও কবিতা : মানবতা ধ্বংস  মায়ার বাঁধন ছিন্ন হবে।