Skip to main content

বিষাক্ত কালসাপ ঘিরে ধরেছে ধর্ম _____ অরন্য হাসান দেলোয়ার।

 


বিষাক্ত কালসাপ ঘিরে ধরেছে ধর্ম

_____ অরন্য হাসান দেলোয়ার।


তোমার রয়েছে ধাঁরালো জিহবা
বুকের ভিতরে স্ফুলিঙ্গ
আর হাতে রাখা চাপাতি কিংবা রিভলবার
তুমি তর্ক যুদ্ধে হেরে যাবার ভয়ে
তোমার বিষাক্ত দাঁতের কামড় বসাও
ছেড়ে দাও বিষ - তুই নাস্তিক।
এরপর তোমার চামচা,চামচ সবাই
তন্নে তন্নে হয়ে খুঁজে ফিরে আমায়
পথে,ঘাটে প্রধান রাস্তায়,অফিসে
কিংবা আমার বাসার আশেপাশে
পেলেই তারা খুন করবে আমায়
হাতের ধাঁরালো চাপাতি অথবা
বিদেশী রিভলবারের একটা গুলি
আমার লাশ পড়ে থাকবে ধুলোর উপর।
তোমার লোকজন তাদের বিষাক্ত জিহবার ব্যবহার করবে
সামাজিক মাধ্যমে
প্রমাণ করার চেষ্টা করবে আমি নাস্তিক ছিলাম
আমার মৃত্যুতে সমাজ রাষ্ট্র কারো কোন ক্ষতি হয় নাই
নির্বোধ মানুষগুলো তাই গিলবে
যেমন করে তারা হারাম টাকার হারাম খাবার গিলে খায়
পবিত্র রমজানে
যার ভাগ তোমার পকেটেও যায়
তুমিও সেই হারামখোরদের দালাল।

তোমার জুব্বার পকেটে পণ্যমজুদদারের দানের টাকা
তোমার খাবারে সুদখোরের পুকুরর তাজা মাছ
তোমার ইফতার আসে দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক নেতার বাড়ি থেকে
তুমি যে মাদ্রাসায় যাও নিয়মিত
সেটার প্রতিষ্ঠাতা একজন ঋণখেলাপী ব্যবসায়ী।
সবকিছু জেনেও তুমি না জানার ভান করে
অন্ধ সেজে থাকো
তোমার নখ থেকে পা পর্যন্ত হারাম খোরদের দানের
দয়া অনুগ্রহ
এই কথাগুলো বললেই আমি নাস্তিক।
আমার বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই।
সমাজের নির্বোধ মুর্খ মানুষগুলোকে
বোকা বানিয়ে সম্মান আদায় করে নিতে পারছো
ওপাড়ে কি জবাব দিবে তুমি?
আমি তোমাদের কথা মতো নাস্তিক হলেও
আমার দ্বারা কারো কোন জীবন নাশের হুমকি ছিলো না।
যার দ্বারা কোন জীবন হুমকিতে থাকে না
তাকে বিনা কারনে হত্যা করা ইসলাম অনুমোদন কতে না।
অথচ তোমরা সেই ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা করে নিরীহ মানুষগুলো হত্যা করছো নির্দ্বিধায়।

©Aranna Hasan Delwar.

Comments

Popular posts from this blog

বড় হাসির গল্পঃ- “বউ জব্দ”

  বড় হাসির গল্পঃ- “বউ জব্দ” করেছিলাম বাপু ভালবেসে বিয়ে, বউয়ের কতা শুনে মনে হবে এক আস্ত ডানা কাটা টিয়ে। সারাক্ষণ শুধু ঘ্যানার ঘ্যানার আর মশার মত প্যানার প্যানার। ওর আর দোষ কি বলুন, কথা তো দিয়েছিলাম আমিই, যে ওকে রাজরানী করে রাখব। বউকে আবার একটু শাসন করলেই বলে, যাব যেদিন বাপের বাড়ি, সব কাজ করবে তখন পরে বউয়ের শাড়ি।এটা কোন কতা হল কউন দিকি ভাই। এই বউয়ের অত্যাচারর থেকে ইংরেজদের অত্যাচার অনেক গুনে ভাল আসিল। এই তো সেদিন, বউ আমাকে কথায় কথায় কয়ে দিল, “যেমন বাপ তেমন ব্যাটা” আমিও বাপের ব্যাটা ছেড়ে কথা বলার পাত্র নই। কয়ে দিলাম, “তোর মা যেমন করে চাকরি, মেয়ে তেমনই জন্মেছে ফোকরি।“ অমনি ব্যস অমনি, শুরু হয়ে গেল অ্যাভেঞ্জার এন্ড গেম। যাকগে বাপু এবার মর্দা কতায় আসি। বউয়ের অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে আমি ঠিক করি দিন পনেরোর ছুটি কাটাতে শিমলা যাব, তাও আবার বউ কে না জানিয়ে। দেখুক, আমি ছাড়া কেমন মজা সংসারে।অফিসে গরমের ছুটি নিয়ে চলে গেলুম শিমলা। শিমলা তে ছুটি কাটাচ্ছি বিন্দাস। বউয়ের কোন অত্যাচার নেই। সাথে ফোন নিয়ে আসিনি, তাই কেউ খোঁজও নিতে পারছে না। আহা আহা কি মজা। স্বর্গ আর কোথায়, এই ...

পুণ্যের চাঁদ _____মহসিন আলম মুহিন।

  পুণ্যের চাঁদ _____মহসিন আলম মুহিন। শোন মুসলমান,এসেছে রমজান, উঠেছে পুণ্যের চাঁদ,কি সুন্দর আসমান।কবিতার নামঃ-পুণ্যের চাঁদ কবির নামঃ-মহসিন আলম মুহিন। শোন মুসলমান,এসেছে রমজান, উঠেছে পুণ্যের চাঁদ,কি সুন্দর আসমান। ঘুমন্ত আত্মারে জাগ্রত করার তরে, আলো হয়ে আল-হেলাল উঠেছে গগন জুড়ে। মুসলিম জাহানে এ যে জান্নাতের সন্ধান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। আজ হতে সকল মুসলমান, মজবুত করো তোমাদের ঈমান, খোদার রাহে করো তোমার ইচ্ছাকে কোরবান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। দিন গত হয়েছে রাত্রি এসেছে, মুয়াজ্জিন এশার আযান দিতেছে, করো না দেরী শুনে মধুর এ আহবান, তারাবীহ্ পড়তে মসজিদে লও স্থান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। ভূলে যেওনা রেখো স্মরণ, কখনো হৃদয় হতে করো না গোপন, করতে হবে রোজার সাথে সাথে পালন, পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের ফরমান, দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। অর্ধ রাত্রিতে উঠে পর ঘুম হতে, তাহাজ্জুদ পড়ে সাহরী খেয়ে যাও সবে নিয়্যতে, ফরিয়াদ জানাও "হে রহমান"- রাখতে পারি যেন এই দিবসের মান,  দেখ্ চেয়ে দেখ্ ঐ আসমান।। ইফতার করতে যখন বান্দায়, কাতার করে একসাথে বস...

পার্থিব সুখ ----খায়রুজ্জামান চৌধূরী টিংকু।

    পার্থিব সুখ ----খায়রুজ্জামান চৌধূরী টিংকু।  পুরুষ সেদিন সমুদ্র থেকে নদী দেখা পেলো মুহু মুহু সৌরভে আমোদিত অঙ্গন বাতাসে শিশিরের গান ভোরের শিশিরে শিহরণ ধীরেধীরে বিকশিত হলো প্রাণ আঁধারে তারার আলো জোছনায় আলোকিত রাত।  জোছনার আলোয় শরীর তার ভাসল রূপালী নদীর জলে জীবন বেলায় দু'জনে দু'জনার সঙ্গ পেল ঘন কুয়াশায়,  পৃথিবীর জমিনে আঁকাবাঁকা পথরেখা দিগ্বিজয়ের ভরসায় শুধালো প্রাচ্যে থেকে প্রতিচ্য পারহলো সমান্তরাল গিরিপথ চেতনার দীপ্ত প্রত্যয়ে ফুলে ওঠে বুক ভ্রমণ এলো কবিতায় এলো কোনো এক ঝর্ণার ধারে অবশেষে সন্যাসীর বেশে।  বিশ্বাসের প্রয়োজন নরম নিঃশ্বাসের মতো প্রান্তেরের শেষে মোহনার প্রান্তে অশোক যে জন মাশুকের তান্ডব খেলা, প্রেমে আনে সুখ, ধরেও প্রেমের বিষক্রিয়ার আসুখ। ওহে ধরনী, বধুয়ার লাজুক কপিন গ্রহন কর তুমি চিরনিদ্রায় ঘুমিয়ে থাকুক তোমার বুকে অন্তকাল, ভালোবেসে শেষে বিরহী সাজলে শুধু তোমাকেই দেখি পেছন ফিরে তাকালে রাণী তুমি সাধক ভিখারি.....।  প্রেম নদীতে স্রোত যায় বয়ে  রূপ যেনো তোমার বয়ে যায় শতধারায় ভাগাভাগি হয়ে, পার্থিব সুখের নাম বিষন্ন উদভ্রান্তের শুণ্য গৃহের অসু...