Skip to main content

___জান্নাতুল মাওয়া রুমানা এর ৩টি কবিতা

 

তোমার ভাবনায়

___জান্নাতুল মাওয়া রুমানা

 

ভাবো ভাবো কতই ভাবো,

ভাবনায় থাকলে লাগে ভালো।

জীবনে করিলে কষ্ট,

পাবে পরে সুখ।

অতীতের কথা মনে পড়লে,

লাগে বড় দুঃখ।

জীবনের গল্প আছে,

বাকি অল্প।

__________

 একা

____ জান্নাতুল মাওয়া রুমানা

 

পৃথিবীর সর্ব নিচে স্তরে-

মানুষের বসবাস,

পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে মানুষ- 

বসবাস করে বটে,

তাদের মানুষ বলার নয়।

মানুষের আনাগোনা থেকে আলাদা

ভিন্ন কিছু মানুষ থাকে,

নিশ্চুপ নিঃশব্দ অভিন্ন ভাবে 

বেঁচে থাকে।

নীরবে অদৃশ্য ভাবে-

চলাফেরা করে,

নির্দিষ্ট কোন লক্ষ্য নেই বলে 

পৃথিবী দেখে।

যখন নিজেকে সবার থেকে 

ভিন্ন ভাবে,

কালের গতিতে স্থান-

অবস্থান ত্যাগ করে।

বিশেষ কেউ নেই বলে

একা থাকাও একা হওয়া

আবশ্যক হয়ে যায়।

একা থাকতে থাকতে

শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।

আমিও একাকিত্বের ঘোরে

শেষ হয়ে যাবো।

_______________

প্রকৃতি

 ___জান্নাতুল মাওয়া রুমানা

প্রকৃতি তোমার সুবাস পেয়েছি,

দিনে রাতে ছড়িয়ে দিয়েছি।

ভালোবাসি শুধুই তোমায়,

প্রকৃতির মাঝে খুঁজে নিও আমায়।

শুনেছি তোমায় ভালোবেসেছে,

তবু কি তোমায় ফিরে পেয়েছে।

জন্মের সময় নতুন পাতা,

মৃত্যুর সময় শুকনো পাতা।

আর জন্ম মৃত্যুর মাঝখানে অধরা।

Comments

Popular posts from this blog

বৈপরিত্য কাটেনি ___বেলায়েত হোসেন

  বৈপরিত্য কাটেনি         ___বেলায়েত হোসেন  একটা দীর্ঘ বৈপরীত্যের রাত    অপরিপাককৃত খাবারের মত যা এখনো প্রাণ শক্তিতে হয়নি রূপান্তর অথচ ঘোর অন্ধকারে এক অনন্য দৃষ্টি স্বপ্ন দেখে-- মায়াবী ঝর্ণার মত নদীর আঁকাবাকা গতিপথ সাগরের ঢেউ হয়ে বিশালতায় মিশবে বলে। ক্ষণ প্রতিক্ষণে জেগে উঠে চন্দ্রালোতে ভিজে যাওয়া  কোন বাউল সঙ্গীত সুর ---- জমে উঠে মোলায়েম শিশির  ঋষিদের দীর্ঘ ধ্যানের মত, তপ করছে পাহাড়  রাতজাগা প্রহরীর মত মেঘেরা এসে দাঁড়িয়ে যায়  এক অপরিমেয় আয়নিত বিদ্যুৎ জলের জমানো শক্তি নিয়ে।  নিশ্বাসের উষ্ণ স্পর্শ একে দেয় ভোরের তীর্যক আলো দীর্ঘদিনের না দেখা নক্ষত্র আকাশের সীমানা ঘেষে উঁকি দেয় দুষ্ট বালিকার মত --- স্পর্শ দূরে থেকে যায় স্বপ্নে দেখা রাজকন্যার মোহময়ী রূপের জ্যোতি।  এক দীর্ঘ মহীরুহ বৃক্ষের তপস্যার ডালপালা ছড়িয়ে পরে বহুদূর  সেই ছায়ার মায়াতে যাদুমুগ্ধ হয়েছে  অসংখ্য প্রেমিক যুগল কিন্তু আমার বৈপরীত্য আজও কাটেনি  তোমাকে বশ মানাতে মানাতে-ই কোটরে বাসা বেঁধেছে কাল নাগিনী সাপ। 🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺 আবড...

ফিরাবেনা হাত ___শওকত কামাল বাবুল

  ফিরাবেনা হাত ___শওকত কামাল বাবুল  তওবা করি নামাজ ধরি  পড়ি আল কোরান।  চাঁদ উঠেছে দেখ গগনে  এলো রমজান।  দ্বীনের পথে চলবো সবে  আমরা মুসলমান।  এই মাসেতে করবে ক্ষমা  আল্লাহ মেহেরবান।  হেলায় ফেলায় কাটবো না আর  বাকি জিন্দেগী।  রাখবো রোজা পড়বো নামাজ  করবো বন্দেগী।  শেষ দশেতে করবো তালাশ  শবেকদর রাত।  দয়ার সাগর আল্লাহ মহান  ফিরাবেনা হাত। 💢💢💢💢💢💢💢💢 আরও পড়ুন: শেষ বেলার প্রার্থনা : আগামীতে দিন: Generated by Embed Youtube Video online

মৃত্যু মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ

  আবৃত্তি ভিডিও  মৃত্যু   মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ দুনিয়ার মায়া ত‍্যাগ করে  যেদিন যাবো কবরে, কেউবা অনেক খুশি হবে, কেউবা হবে দুখী। কেউ বা হবে জ্ঞানশূন্য  কেউবা মহাপাপি, কেউবা করবে কান্নাকাটি  কেউবা করবে দোয়া। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবে  সন্তান ছেলে-মেয়ে  সবচেয়ে বেশি কান্না করবে  প্রাণ প্রিয়তমা স্ত্রী। কেউবা অনেক আনন্দ করবে  সম্পদ দখল পাবে, পিতা মাতা কষ্ট পাবে  টাকার মেশিন গেল চলে। মৃত্যুকালেও হাসবো আমি  কাঁদবে পৃথিবী, আকাশ বাতাস কাঁদবে সবাই  হাসবে আমার অন্তর। আত্মার আত্মা রুহ আত্মা যাবে চলে আল্লাহর কাছে, জ্ঞানের বাণী থাকবে আমার  এই পৃথিবীর সবার মাঝে। জ্ঞান চর্চার সাধক ছিলাম  ছোটবেলা থেকেই  ছয় বছর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত  করেছি জ্ঞানের চর্চা। সন্তান আমার আল কুরআনের হাফেজ  মেয়েও আল কোরআনের হাফেজ স্ত্রী আমার আল্লাহ ওয়ালি আমার মৃত্যু হবে হাসিখুশি।