Skip to main content

আত্মসমালোচনা _____নূরের নেছা নার্গিস

  

আত্মসমালোচনা

  _____নূরের নেছা নার্গিস 


অল্প কথায় গল্প শেষ

শুনতে ভালো লাগবে বেশ,

সবাই দেয় আমায় উপদেশ।


কেন তবু শেষ হয়না

নানা রকম কথার রেশ।

আমায় নিয়ে সবাই তাই

বসায় নানান সমাবেশ।


অল্প সবই ভালো সকলে

তা জানি,

অল্প কথায় গল্প পারিনা বলে

সবাই করে কানাকানি।

অল্পে বলা গল্প টা হয়ে

 যায়  কাহিনী।


আমি থাকি আমার মত

সবাই  বলে  বোকা,

বিশ্বাস করে কারো কাছে 

খাইনি কভু ধোকা।


অল্পে খুশি হতাম না বলে ছোট

বেলায় করতাম শুধু রাগ

বাধ্যহয়ে  বাবা মা দিতো

সবকিছু বেশির ভাগ।

  

খাওয়ার বেলায় কমই

খাই লবনটা খাই বেশী,

মায়ের কাছে বকা খেতাম

বাবার  কাছে ও দোষী।


মশলাতে যা আছে 

আমি বেশি খাই ঝাল,

গ্যাস্টিকের ব্যথায় অসুস্থ 

হয়ে থাকি কিছুকাল।


টক একটু অল্প খেলেও

বেশি যে খাই মিষ্টি,

আমার হাতে চা খায়না কেউ

শরবত হয় নাকি সৃষ্টি।


কথার বেলায় আমি নাকি

বলি অনেক কথা

শুনতে চাওয়া মানুষগুলির

করে মাথা ব্যথা।


মা আপু তাই কথায় কথায়

বলে বাচাল মুখী,

বেশি কথা বলিস তাই

হতে পারিসনা সুখী।


পড়ার বয়সে অনেক রাত

জেগে জেগে পড়তাম,,

রাতের দুইটা বেজে গেলেও

কত কিছু লিখতাম।


লিখার নেশায় রেড়িওতে

বেশি বেশি গান শুনতাম,

একশটা গান লিখে খাতায়

বসে বসে গুনতাম।


সবগুলো ছিলো  লিখা 

আমার পুরানো ছবির গান,

খাতা নষ্ট হতো বলে

আপু করতো অভিমান।


ছন্দ লিখতাম ধাঁধাঁ লিখতাম

আঁকতাম ফুল পাতা,

বেশি বেশি নষ্ট করতাম

এভাবে কত খাতা।


মায়ের চেয়ে মাসির 

দরদ কভূ বেশি হয়না,

সবাইকে আপন ভাবতে

গিয়ে এ কথাটি মনে রয়না।


অল্প দিনে সবার সাথে

বেশি মিশে যাই,

যার কারনে অল্প কথায়

অনেক বেশি কষ্ট পাই।


কথা বলতে গেলে কোনও

কথা রাখিনা আর বাকী,

কি বলবো না বলবো 

ভেবে কভু  নাহি  দেখি।


যেভাবে চলা বারন আমার

সেভাবে বেশি চলি,

আপন ভেবে সবার সাথে

সব কথা তাই বলি।


লেখাপড়া বেশি করলেও

জ্ঞান আমার খুব অল্প,

না বুঝে সবার সাথে 

করি সব রকম গল্প।


আপু বলে আমি নাকি 

অনেক বেশি বোকা,

কৌশলে মানুষ আমায় 

তাই দিবে একদিন ধোকা।


সত্যি হলো মা ভেবে যাকে

আমি সবকথা বলেছিলাম,

তার কারনে সব হারিয়ে

নিঃস্ব হয়ে গেলাম।


বাবা বলতো সবাইক

এভাবে বেশি করলে বিশ্বাস,

একদিন তোর হবে দেখবি

বড় সর্বনাশ।


আজকে তা সত্যি হাওয়ায়

লিখি বেশি বেশি 

আপন ভেবে সবার সাথে

অনেকটা যাই মিশি।

প্রিয় মানুষ গুলির কাছে

তাই বার বার হই দোষী।


বলে সবাই  সব কিছুতে

থাকি যেন কম।

সুযোগ পেয়ে কেউ হবে না 

আমার সুখের যম।


শ্বপথ করে প্রিয় মানুষদের

সাথে শ্বপথ ভুলে যাই

বেশি লিখতে গিয়ে তাদের

কথাতেও বেশি কষ্ট পাই।


Generated by Embed Youtube Video online

Comments

Popular posts from this blog

একজন গাজা' শিশুর করুণ আর্তনাদ -- প্রিয় মুসলিম বিশ্ব।

  প্রিয় মুসলিম বিশ্ব, ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।  প্রথমে সবার প্রতি আমার সালাম। আমার বয়স ৮ বছর। আমার পূর্ব পুরুষদের কাছ থেকে শুনে এসেছি, আর বিগত কয়েটি বছর ধরে নিজে দেখছি।আজ অনেকগুলো বছর আমরা নির্যাতিত। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি আমাদের কাছ থেকে একটু একটু করে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে থেকেও আমরা আজ উদবাস্তু। না আছে নিরাপদ আশ্রয়, না আছে আমাদের খাবার,পানি। আজ কয়েক মাস যাবত আমাদের উপর চালানো হচ্ছে গনহত্যা। আমরা নির্বাসিত। পিতা মাতা ভাই বোন সবাইকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ। প্রতিদিন আমাদের উপর বোমা হামলা,গুলি চালানো হচ্ছে। ত্রাণ নিতেও এখন ভয় হয়। কতটা নির্মম নির্যাতন আর হত্যাযজ্ঞ চলছে আমাদের উপর চোখে না দেখলে বিশ্বাস করানো কঠিন হবে। আমাদের অপরাধ কি? আমরা ফিলিস্তিন?  আমরা মুসলিম?  এ পরিচয় কি আমাদের অপরাধ? আল্লাহর এই পৃথিবীর বুকে আমরা কি মানুষ হিসাবে একটু নিরাপদ জীবন চাইতে পারি না? যখন পুরো মুসলিম বিরোধী রাষ্ট্রগুলো একত্র হয়ে আমাদের উপর নির্যাতন ও হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে,আমাদের ভূমি থেকে আমাদের বিতারিত করছে। তখন কি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো একতাবদ্ধ হয়ে আমাদের পাশে দাঁড়াতে পারেন না? কেন? কিসের এতো...

কবিতা আবৃত্তি // তোমায় মনে পড়ে

  আবৃত্তি   তোমায় মনে পড়ে।  _____আবুল হোসেন সিরাজী।  মা গো আজ তোমায় মনে পড়ে, পরপারে চলে গেলে আমায় একা রেখে।  আজ চারিদিকে দিকে শূন্যতা,  মনের মাঝে একটুও শান্তি নেই।  আজ শুধু তোমার জন্য মনটা ছট ফট করে,  যে দিকে চোখ পড়ে শূন্যতা বিরাজ করছে।  তোমার মত সুমধুর কন্ঠে  কেউ আমাকে নাম ধরে  ডাকে না।  মা গো তোমার হাতের রান্না খেতে খুব মজা ছিলো,  এখন কোনো খাবার খেতে মন চাই না।  আজ আমি বুঝতে পারিতেছি,  মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ দোয়ার ভান্ডার, মা হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ উপহার।  মা গো তুমি আমাকে  পারিবারিক শিক্ষা ধর্মীয় শিক্ষা দিয়েছ, সুশিক্ষায় সুশিক্ষিত করিয়াছ। মা গো তোমার অবদানের কারণে,  আমি সমাজের মাঝে প্রতিষ্ঠিত হতে পেরেছি।  মা গো তুমি আমার কাছে,  পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মা। মা আমার মানিক রতন তুলনা নাই তাঁর,  মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দোয়া করতেন ছেলে টি তাঁর। ********* _____আবুল হোসেন সিরাজী।  আরও কবিতা : মানবতা ধ্বংস  মায়ার বাঁধন ছিন্ন হবে।