Skip to main content

পাষাণী ____অরন্য হাসান দেলোয়ার।

 

পাষাণী 

____অরন্য হাসান দেলোয়ার। 


আকাশের কান্নার জলে ভিঁজে যেমন

তুমি আনন্দ উপভোগ,

তেমনি আমার ক্ষতবিক্ষত হৃদয়ের

রক্তস্রোতেও তোমার ভীষণ আনন্দ।


পাহাড়ের কান্নার জলে স্নান শেষে

যে পরিতৃপ্তি পাও,

ঠিক তেমন করে আমার অশ্রুজলেও

তোমার শান্তি লাগে।


এতোটাই বদলে যায় মানুষ! 

কিভাবে সম্ভব বলো?

একটুও কি কষ্ট হয় না তোমার?

যন্ত্রণা হয় না তোমার বুকে?


আমার কষ্টগুলো তুমি অনুভব করো

সেটা আমি জানি,

তবে সেটা তোমার আনন্দের উপলক্ষ 

আমার চুরমার হয়ে যাওয়া অন্তর

তোমাকে ভীষণ আন্দোলিত করে।


©Aranna Hasan Delwar.

Comments

Popular posts from this blog

বৈপরিত্য কাটেনি ___বেলায়েত হোসেন

  বৈপরিত্য কাটেনি         ___বেলায়েত হোসেন  একটা দীর্ঘ বৈপরীত্যের রাত    অপরিপাককৃত খাবারের মত যা এখনো প্রাণ শক্তিতে হয়নি রূপান্তর অথচ ঘোর অন্ধকারে এক অনন্য দৃষ্টি স্বপ্ন দেখে-- মায়াবী ঝর্ণার মত নদীর আঁকাবাকা গতিপথ সাগরের ঢেউ হয়ে বিশালতায় মিশবে বলে। ক্ষণ প্রতিক্ষণে জেগে উঠে চন্দ্রালোতে ভিজে যাওয়া  কোন বাউল সঙ্গীত সুর ---- জমে উঠে মোলায়েম শিশির  ঋষিদের দীর্ঘ ধ্যানের মত, তপ করছে পাহাড়  রাতজাগা প্রহরীর মত মেঘেরা এসে দাঁড়িয়ে যায়  এক অপরিমেয় আয়নিত বিদ্যুৎ জলের জমানো শক্তি নিয়ে।  নিশ্বাসের উষ্ণ স্পর্শ একে দেয় ভোরের তীর্যক আলো দীর্ঘদিনের না দেখা নক্ষত্র আকাশের সীমানা ঘেষে উঁকি দেয় দুষ্ট বালিকার মত --- স্পর্শ দূরে থেকে যায় স্বপ্নে দেখা রাজকন্যার মোহময়ী রূপের জ্যোতি।  এক দীর্ঘ মহীরুহ বৃক্ষের তপস্যার ডালপালা ছড়িয়ে পরে বহুদূর  সেই ছায়ার মায়াতে যাদুমুগ্ধ হয়েছে  অসংখ্য প্রেমিক যুগল কিন্তু আমার বৈপরীত্য আজও কাটেনি  তোমাকে বশ মানাতে মানাতে-ই কোটরে বাসা বেঁধেছে কাল নাগিনী সাপ। 🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺🔺 আবড...

ফিরাবেনা হাত ___শওকত কামাল বাবুল

  ফিরাবেনা হাত ___শওকত কামাল বাবুল  তওবা করি নামাজ ধরি  পড়ি আল কোরান।  চাঁদ উঠেছে দেখ গগনে  এলো রমজান।  দ্বীনের পথে চলবো সবে  আমরা মুসলমান।  এই মাসেতে করবে ক্ষমা  আল্লাহ মেহেরবান।  হেলায় ফেলায় কাটবো না আর  বাকি জিন্দেগী।  রাখবো রোজা পড়বো নামাজ  করবো বন্দেগী।  শেষ দশেতে করবো তালাশ  শবেকদর রাত।  দয়ার সাগর আল্লাহ মহান  ফিরাবেনা হাত। 💢💢💢💢💢💢💢💢 আরও পড়ুন: শেষ বেলার প্রার্থনা : আগামীতে দিন: Generated by Embed Youtube Video online

মৃত্যু মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ

  আবৃত্তি ভিডিও  মৃত্যু   মোঃ হাফিজুর রহমান হাফিজ দুনিয়ার মায়া ত‍্যাগ করে  যেদিন যাবো কবরে, কেউবা অনেক খুশি হবে, কেউবা হবে দুখী। কেউ বা হবে জ্ঞানশূন্য  কেউবা মহাপাপি, কেউবা করবে কান্নাকাটি  কেউবা করবে দোয়া। সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাবে  সন্তান ছেলে-মেয়ে  সবচেয়ে বেশি কান্না করবে  প্রাণ প্রিয়তমা স্ত্রী। কেউবা অনেক আনন্দ করবে  সম্পদ দখল পাবে, পিতা মাতা কষ্ট পাবে  টাকার মেশিন গেল চলে। মৃত্যুকালেও হাসবো আমি  কাঁদবে পৃথিবী, আকাশ বাতাস কাঁদবে সবাই  হাসবে আমার অন্তর। আত্মার আত্মা রুহ আত্মা যাবে চলে আল্লাহর কাছে, জ্ঞানের বাণী থাকবে আমার  এই পৃথিবীর সবার মাঝে। জ্ঞান চর্চার সাধক ছিলাম  ছোটবেলা থেকেই  ছয় বছর থেকে মৃত্যু পর্যন্ত  করেছি জ্ঞানের চর্চা। সন্তান আমার আল কুরআনের হাফেজ  মেয়েও আল কোরআনের হাফেজ স্ত্রী আমার আল্লাহ ওয়ালি আমার মৃত্যু হবে হাসিখুশি।